Last update
Loading...

রহস্যের পর্দা উন্মোচিত হয়েছে by মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের জনপ্রিয় মেয়র আনিসুল হকের মৃত্যুর পর ওই পদে বিধি অনুযায়ী উপনির্বাচন হওয়াটাই স্বাভাবিক ছিল। সুশীল সমাজের সদস্যরা এবং নির্বাচন গবেষকরা ভেবেছিলেন, যেহেতু সরকারের পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়ে এ কমিশন গঠিত হয়েছে, কাজেই সম্মানিত কমিশন সদস্যরা সরকারের পক্ষে পরোক্ষভাবে কাজ করবেন। আর সরকার যদি দূরদর্শী হয়, তাহলে ইসিকে একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে দিয়ে জনগণের আস্থা অর্জনের সুযোগ দেবে। কারণ, ইসি গঠনের ক্ষেত্রে সংবিধানে প্রদত্ত আইন তৈরির সুযোগ এড়িয়ে সার্চ কমিটির মাধ্যমে যেভাবে এ কমিশন গঠিত হয়েছিল- তখনই বিবেকসম্পন্ন নাগরিকরা বুঝেছিলেন, এ কমিশন পেশাদারিত্বের সঙ্গে নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠান করবে না। তাদের বিশেষ মিশন ও ভিশন দিয়ে হয়তো নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
কারণ, দেশে অনেক যোগ্য ব্যক্তি থাকা সত্ত্বেও ৬ সদস্যের সার্চ কমিটির পেশকৃত তালিকার বাইরে থেকে মহামান্য রাষ্ট্রপতি যখন বিএনপির আমলে ওএসডি হওয়া এবং জনতার মঞ্চের সংগঠক হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিকে সিইসি পদে নিয়োগ দিলেন, তখন আগামী নির্বাচনগুলো কেমন হবে সে সম্পর্কে জাতি একটি অগ্রিম ধারণা পেয়ে যায়। সে কারণে কেএম নুরুল হুদা সিইসির চেয়ারে স্থান পেলেও অধিকাংশ জনগণের হৃদয়ে জায়গা পাননি। এ কারণে কমিশন নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে সংলাপ করাকালীন রাজনৈতিক দলের নেতা ও সুশীল সমাজের সদস্যরা কমিশনকে নাগরিকদের আস্থা অর্জনের পরামর্শ দেন। এ পরামর্শের অর্থ হল, তাদের ওপর জনগণের আস্থা নেই। নির্বাচন করার আগে কমিশনের কিছু রুটিন কাজ থাকে। এর মধ্যে নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ এবং নতুন ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার কাজ বাধ্যতামূলক। নির্বাচনী এলাকার সবাই যাতে ভোট দিতে পারেন, ভোটার তালিকায় নাম আছে এমন যে কেউ যাতে নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন সে বিষয়গুলো নিশ্চিত করতে হয়। এসব তথ্য একজন সাধারণ রাজনৈতিক কর্মীও অবগত। আর আমাদের ইসির মান্যবর পাঁচ সম্মানিত সদস্য এসব না ভেবেই ভুল করে ডিএনসিসির মেয়র নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণা করেছেন বললে কেউ মেনে নেবেন না। ফলে সিটি কর্পোরেশনের সম্প্রসারিত ওয়ার্ডের নাগরিকরা ভোটার হলেও প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পাননি। কারণ, ঘোষিত সিডিউলে যেখানে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষদিন ধার্য করা হয়েছিল ১৮ জানুয়ারি ২০১৮, সেখানে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের তারিখ ৩১ জানুয়ারি ২০১৮। ফলে ভোটার তালিকা সংগ্রহ করতে না পেরে অনেক নাগরিক ইচ্ছা থাকলেও এ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারতেন না। ফলে তাদের সাংবিধানিক অধিকার খর্ব হতো। যেসব আইনগত জটিলতার কারণে নির্বাচন স্থগিত হয়েছে, সরকার চাইলে সে সমস্যাগুলো সহজে সমাধান করতে পারলেও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কারণে তা করা হয়নি। সঙ্গত কারণে আদালতে রিট হয় এবং বিজ্ঞ আদালত ৯ জানুয়ারি ঘোষিত নির্বাচনী তফসিল ও সার্কুলারের ওপর তিন মাসের স্থগিতাদেশ দেন। পরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১৮টি ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদের নির্বাচনও একইরকম আইনগত জটিলতার কারণে আদালত রিটের পরিপ্রেক্ষিতে স্থগিত করে দেন।
ফলে দীর্ঘদিন ভোট দিতে না পারা ভোটদানে উন্মুখ ডিসিসির নাগরিকদের ভোটদানের সুযোগ বিলম্বিত হয়ে পড়ে। ঝুলে যায় ডিসিসি নির্বাচন। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে মনে হয়, সরকার দ্রুত রিটের জবাব দিয়ে এ নির্বাচন অনুষ্ঠানে তাড়াহুড়ো করবে না। কাজেই এ নির্বাচন তিন মাস পরে হোক সরকার তা রাজনৈতিক কারণে না-ও চাইতে পারে। অথচ জটিলতা রেখে সিডিউল ঘোষণা করলে যে নির্বাচন ভণ্ডুল হবে তা জানা সত্ত্বেও ইসি বিষয়টি আমলে নেয়নি। একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে সরকার ডাকসুসহ ছাত্র সংসদগুলোর নির্বাচন অনুষ্ঠানেও আগ্রহ দেখাবে বলে মনে হয় না। আইনি জটিলতা নিরসন না করে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনী সিডিউল ঘোষণা না করার জন্য ইসিকে একাধিকবার সুশীল সমাজ থেকে অনুরোধ করা হয়েছিল। গণমাধ্যমেও বিষয়টি আলোচিত হয়েছে। তা সত্ত্বেও ইসি এমন কাজ করল কেন সে প্রশ্নের উত্তর ইসিকেই দিতে হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষণে বিষয়টির মধ্যে দলীয় রাজনীতির অদৃশ্য লাভ-লোকসানের খেলা দৃশ্যমান হয়। আইনি জটিলতা নিরসন না করে সিডিউল ঘোষণা করলে যে ওই নির্বাচন নিয়ে রিট হবে তা কি ইসি জানত না? অবশ্যই জানত। তাহলে কি এমন সন্দেহ করা অমূলক হবে যে তারা কোনো পক্ষের অনুরোধে নির্বাচনটিকে বিলম্বিত করার জন্য এ কাজ করেছে? কারণ, সরকার তো নিজদলীয় জনপ্রিয়তার কথা ভালো করেই জানে। সরকারি পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে যে প্রায়ই বিভিন্ন মাধ্যমে জরিপ করা হচ্ছে না এমন নয়। তবে ওইসব জরিপের ফলাফল সাধারণ মানুষ জানেন না। সরকার অনেক উন্নয়নের দাবি করছে এবং এতে জনগণের মধ্যে তাদের জনপ্রিয়তা বেড়েছে বলে সরকারি দলের নেতাকর্মীরা দাবি করছেন। কিন্তু প্রকৃত বাস্তবতা তেমন হলে রংপুরের নির্বাচনে সরকারি দলের প্রার্থী পরাজিত হতেন না। রংপুর নির্বাচনের চেয়ে রাজধানীর নির্বাচনের গুরুত্ব অনেক বেশি। একাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ডিসিসি নির্বাচনে যদি সরকারদলীয় প্রার্থী পরাজিত হয়, তাহলে তার নেতিবাচক প্রভাব যে পরবর্তী পাঁচ সিটি কর্পোরেশন এবং একাদশ সংসদ নির্বাচনে পড়বে সে বিষয়টি সরকার জানে। এ কারণে নিশ্চিত বিজয়ের সম্ভাবনা না থাকায় সরকার হয়তো একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে ডিসিসি নির্বাচন অনুষ্ঠান যাতে না হয় সে ব্যবস্থার জন্য ইসিকে ব্যবহার করে রাজনীতি করছে। সরকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন করেছে বলে যে দাবি করছে সে দাবির কিছু সত্যতা আছে।
রাজধানীসহ বিভাগীয় শহরগুলোতে অনেক উঁচু উঁচু ফ্লাইওভার হয়েছে। তবে সরকার ফুটপাত দিয়ে নাগরিকদের হাঁটার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারেনি। চালের দামসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম সিন্ডিকেট করে বৃদ্ধি করা হলেও সরকার তা বন্ধ করতে পারেনি। আর্থিক খাত, শেয়ারবাজার, ব্যাংক লুটপাট ও মানি লন্ডারিং এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে তা সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। সরকারদলীয় লোকজন জড়িত থাকায় শিক্ষা খাত ধ্বংসের দিকে ধাবমান। বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হলেও সরকারের এ ব্যাপারে মাথাব্যথা নেই। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী এ ব্যাপারে খুবই সহনশীল। তিনি ঘুষ গ্রহণকারীদের শাস্তি না দিয়ে তাদের সহনীয় মাত্রায় ঘুষ খেতে পরামর্শ দিয়েছেন। খুন, গুম যে হারে বেড়েছে তা আশঙ্কাজনক। বিদেশি বিনিয়োগের গতি কম। ‘স্বল্প গণতন্ত্র আর অধিক উন্নয়ন’-এর ভুল নীতির খেসারত যে সরকারকে দিতে হবে সে বিষয়টি সরকার বুঝতে শুরু করেছে। পত্রপত্রিকার এবং বিভিন্ন বেসরকারি জরিপেও সরকারের এসব ভুল পলিসির সমালোচনা উঠে আসছে। নতুন পে স্কেল দেয়ার পর উচ্চপদের চাকরিজীবীরা সম্মানজনকভাবে খেয়ে-পরে বেঁচে থাকতে পারলেও দেশের ১৬ কোটি মানুষের আজ নাভিশ্বাস উঠেছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট দিতে গিয়ে তাদের তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে। দশম সংসদ নির্বাচনের পর উপজেলা, ইউপি এবং তিন সিটি নির্বাচনের নামে যা হয়েছিল তা তারা ভুলে যাননি। তারপরও ভোটপাগল রাজধানীবাসী ডিসিসি নির্বাচনের সিডিউল ঘোষিত হলে আবারও ভোট দেয়ার আশায় ব্যাকুল হয়ে উঠেছিলেন। এখন মানুষ সরকার ও ইসির ওপর খুবই বিরক্ত হয়েছে। কারণ, সরকারি নির্দেশেই ইসি স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো করে। জনগণ ইসিকে এত বোকা ভাবেন না যে তারা বিশ্বাস করবেন, ইসি জানবে না নির্বাচনী সিডিউল ঘোষণার আগে কী কাজ করতে হয়। এক্ষেত্রে রাজধানীর শিক্ষিত ভোটাররা ইসিকে অজ্ঞ না ভেবে ‘ষড়যন্ত্রকারী’ ও ‘সরকারি পরিকল্পনায় যোগসাজশকারী’ ভাবছেন। রাজধানী ও বিভাগীয় শহরের ভোটাররা শিক্ষিত ও সচেতন। তারা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বুঝেশুনে ভোট দেবেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ভাবছেন, এমনও হতে পারে যে সরকার হয়তো আরেকটু সময় নিয়ে চলমান অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্পগুলো সম্পন্ন করে জনগণকে উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়ে তাদের কাছে বড় স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে ভোট চাওয়ার পরিকল্পনা করছে। আর সে কাজে তারা নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করতে সক্ষম হয়েছেন। তা না হলে সরকার যদি নিজেকে এতই জনপ্রিয় ভাববে, তাহলে অগোছালো এবং কোনো কোনো সরকারি নেতার ভাষায় ‘আন্দোলনের মুরোদহীন’ বিএনপিকে নির্বাচনী প্রস্তুতির সময় না দিয়েই তো সরকারি দলের দ্রুত নির্বাচনে যাওয়ার কথা। ডিএনসিসি নির্বাচনে সরকার যখন সে পথে যায়নি, তখন বুঝতে হবে এ নির্বাচন নিয়ে সরকার বিএনপিকে আমলে নিয়েছে এবং এ নির্বাচনে এ দলটি ফেয়ার ইলেকশন হলে জিততে পারে সে বিষয়টিও তারা অনুধাবন করতে পেরেছে। আর রাজধানীতে যদি মাঠের বিরোধী দল বিএনপি প্রার্থীর কাছে সরকারদলীয় প্রার্থীর পরাজয় ঘটে, তাহলে সরকারের নিজদলীয় জনপ্রিয়তা ও উন্নয়নের অহমিকা মুখ থুবড়ে পড়বে এবং সারা দেশে পরিবর্তনকামী মানুষের মধ্যে সরকারবিরোধী চেতনা জোরালো হবে। কাজেই এসব ভীতি থেকে বাঁচতে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে অঘোষিত যোগসাজশ করে নির্বাচনটি পরিকল্পিতভাবে পিছিয়ে দেয়া হল কিনা তাও এক প্রশ্ন।
সরকার ভালো করেই জানে, রাজধানীর ভোটাররা রংপুরের ভোটারদের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন এবং ডিএনসিসি নির্বাচনী এলাকা জাতীয় পার্টির দলীয় পকেট নয়। কাজেই এক্ষেত্রে কমিশনকে আয়ত্তে নিয়ে নির্বাচন পিছিয়ে দিয়ে তারা সুবিধা নিতে চেয়েছে। আদালতের নির্দেশে ডিএনসিসি নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় নির্বাচন কমিশনকে যথেষ্ট সমালোচনা সহ্য করতে হবে। যেসব ভুলের কারণে নির্বাচন স্থগিত হয়েছে তা ইসির কাছ থেকে প্রত্যাশিত নয়। এতে সাধারণ মানুষের কাছে ইসির গ্রহণযোগ্যতা আরও একধাপ নিন্মগামী হল। আমরা নাগরিকদের পক্ষ থেকে ইসিকে পরামর্শ দেব, ভুলে যাবেন না যে নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। মনে করবেন না, আপনারা কোনো রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে সুবিধা করে দেয়ার কাজ করলে জনগণ তা বুঝবেন না। এমনভাবে কোনো কাজ করবেন না, যা দেখে নাগরিকরা আপনাদের হুকুমবরদার ইসি হিসেবে আখ্যায়িত করার সুযোগ পান। ডিসিসি নির্বাচন নিয়ে আপনারা যা করলেন তাতে ভোট দিতে উন্মুখ রাজধানীবাসীর মধ্যে আপনাদের গ্রহণযোগ্যতা আরও কমে গিয়েছে। সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমাদের পরামর্শ, একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এখন থেকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করুন। সব দলকে একইরকমভাবে দলীয় কর্মকাণ্ড করার পরিবেশ তৈরি করে দিন। যত দ্রুত সম্ভব আইনি জটিলতার নিরসন করে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণের স্থগিত নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করুন। মনে রাখবেন, এ ব্যাপারে আপনারা যত দেরি করবেন, আপনাদের গ্রহণযোগ্যতা ততই কমবে। সাধারণ মানুষ যদি আপনাদের ওপর বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে যায়, তাহলে তারা আপনাদের বিরুদ্ধে যে রাজপথে নামবে না এমন নিশ্চয়তা দেয়া যায় না। কাজেই স্বাধীনভাবে কাজ করুন। আপনাদের কাজে যেন স্বাধীনতা, পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত হয়; কোনো রাজনৈতিক দলের স্বার্থ বা সরকারি হুকুমবরদারি চরিত্রের প্রতিফলন না ঘটে সেদিকে খেয়াল রাখুন। স্বাধীনভাবে কাজ করলে জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির জন্য পৃথকভাবে কিছু করা লাগবে না। এমনিতেই জনগণের মধ্যে ইসির গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে। আর ডিসিসি উত্তর ও দক্ষিণসহ সামনের একাদশ সংসদ নির্বাচন গ্রহণযোগ্যভাবে সম্পন্ন করতে পারলেই কেবল আপনারা ক্রমান্বয়ে জনগণের হৃদয়ে স্থায়ী আসন পাবেন।
ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার : অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
akhtermy@gmail.com

0 comments:

Post a Comment