Last update
Loading...

পুলিশের সেবা কত দূর

পুলিশ সপ্তাহ আয়োজনের মধ্যেই একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার কেলেঙ্কারির খবর সব কিছুকে ছাপিয়ে গেল। ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মিজানের নারীঘটিত কর্মকাণ্ড বিস্তারিত বর্ণনা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হচ্ছে। সেই বর্ণনা থেকে দেখা যাচ্ছে, ছাত্রাবস্থা থেকে তিনি একজন বিকৃত যৌনাচারী। একসাথে অনেক নারীর সাথেই অনৈতিক সম্পর্ক রেখে চলতেন তিনি। পুলিশের ভেতরে থেকে দীর্ঘ সময় ধরে এমন অপরাধ করে চললেও এত দিন তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ উত্থাপিত হয়নি। এখন তার করা সব বিকৃত ঘটনা একসাথে প্রকাশ হতে চলেছে। বাংলাদেশে অপরাধ বিস্তার কেন সহজ এবং অপরাধী কেন বেপরোয়া, তার উত্তর রয়েছে মিজানের এই ঘটনার মধ্যে। বাংলাদেশ পুলিশের কিছু অংশের অপরাধপ্রবণতা সাম্প্রতিক সময়ে অনেক বেড়েছে। এক-একজন হঠাৎ করে বড় অপরাধী হয়ে যান, বিষয়টি এমন নয়। তারা মূলত একটি অপরাধ দিয়ে শুরু করেন। এরপর আরেকটি করেন। যখন দেখেন কোনো ধরনের বাধা নেই, তখন আরো বড় অপরাধ করেন। পুলিশের ব্যাপারে এমন ধারণাই প্রবল, যারা বেশি অন্যায় করতে পারেন তারা পদোন্নতি পান। অন্ততপক্ষে বিরোধীদের নিকৃষ্টভাবে নির্যাতন-নিপীড়ন করে অনেকেই দ্রুত প্রমোশন পেয়েছেন, এটা দেখা গেছে সাম্প্রতিক সময়ে। একজন কর্মকর্তাকে রাষ্ট্রপতি পদক দেয়া হলো। দেখা গেল তিনি শীর্ষস্থানীয় বিরোধী রাজনীতিককে প্রকাশ্যে পিটিয়ে অর্ধমৃত করেছেন। ওই ভিডিও ফুটেজ টিভির পর্দায় দেখানো হয়েছে। যখন তাকে রষ্ট্রপতি পদক দেয়া হচ্ছে, এটা কি রাজনৈতিক বিরোধীকে পেটানোর জন্য দেয়া হলো কি না সেই দ্বিধায় অনেকে পড়েছেন। একজন রাজনৈতিক নেতাকে রাস্তায় ফেলে প্রকাশ্যে পেটানোকে যদি ইতিবাচকভাবে নেয়া হয়, তাহলে পুলিশ নৈতিক শক্তি কোথা থেকে পাবে। এবারের পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নৈতিক ব্যাপারে অনেক গুরুত্ব দিয়ে কথা বলেছেন। পুলিশকে আইনের রক্ষকের ভূমিকায় দেখতে চান তিনি।
তার মতে দেশের প্রচলিত আইন, সততা ও নৈতিক মূল্যবোধই হবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পথনির্দেশক। সফলতার জন্য পুরস্কার ও প্রতিটি কাজের জন্য তিনি জবাবদিহিতাও নিশ্চিত করার তাগিদ দেন। তার প্রত্যাশা- পুলিশ জনবান্ধব হবে। এখনকার বাস্তবতা হচ্ছে, জনমানুষের কাছে পুলিশ ভীতিকর একটি বাহিনী। পুলিশ দেখলে সে পথ মাড়ান না বেশির ভাগ মানুষ। অন্যায়-অপদস্থ হয়েও মানুষ পুলিশের কাছে প্রতিকারের জন্য যান না বাড়তি হয়রানির ভয়ে। পুলিশের ব্যাপারে বিভিন্ন জরিপে যে চিত্র উঠে আসে, সেটি নেতিবাচক। নিপীড়ক-নির্যাতনকারী, অর্থলোভী ও অন্যায়কারী হিসেবে তাদের চেহারা মানুষের মনে প্রোথিত হয়ে গেছে। ভালো ও উন্নত নৈতিকতাসম্পন্ন পুলিশও রয়েছেন। তবে দুষ্টচক্রের প্রবল চাপে তারা কোণঠাসা। দেখা গেছে অপহরণ, ঘুষ, ছিনতাই, মাদক ব্যবসায় ইত্যাদির সাথে পুলিশের একটি অংশ জড়িত। মানবপাচার ও ধর্ষণের মতো অভিযোগ আসছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এ ধরনের অপরাধ করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ার অসংখ্য ঘটনা দেখা গেছে সাম্প্রতিক সময়ে। এসব অপরাধে অভিযুক্তরা সবাই পুলিশের নিম্নপদস্থ কর্মকর্তা কিংবা সদস্য। তবে এটি একটি ওপেন সিক্রেট ব্যাপার, পুলিশের কমিশন ওপরের দিকে পৌঁছে যায়। এসব ঘটনায় ধৃত কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পেয়েছেন, এমনটি খুব কম। কর্মকর্তা যত বড়, তার কাছে অপরাধ ধামাচাপা দেয়ার শক্তিও তত বেশি। কেবল নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে সেটি জানাজানি হয়। যেমন- মিজানের ঘটনাটি এখন জানাজানি হয়ে গেছে। ওপরের দিকে দুর্নীতি ও অপরাধ সংঘটনের মাত্রা কেমন, সেটি উদঘাটন করা কঠিন। ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ উত্থাপিত হচ্ছে, সেগুলো সত্যি হলে শীর্ষস্থানীয় এই কর্মকর্তা নিজের প্রাতিষ্ঠানিক শক্তির পুরোটাই কাজে লাগিয়েছেন আইন ভাঙার জন্য। এক ব্যাংক কর্মকর্তাকে অপহরণ করে নিজের সরকারি ফ্ল্যাটে আটকে জোরপূর্বক বিয়ে করেন। তাকে ধারাবাহিক তিনি নির্যাতন চালিয়েছেন। জেল খাটিয়ে মামলায় ঝুলিয়েছেন। এসব কথা ফাঁস করায় তাকে হত্যার হুমকিও দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে তার সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন গাড়ির চালক ও দেহরক্ষী। এক টিভি উপস্থাপিকাকে অপহরণচেষ্টার ভিডিও ফুটেজের বর্ণনা দিয়েছে একটি পত্রিকা। চালক ও দেহরক্ষীকে নিয়ে তিনি অভিযান চালান। উপস্থাপিকাকে ভবনের নিচে থেকে গাড়িতে তোলেন। গাড়িতে উঠানোর পর তাকে নেশাজাতীয় কিছু খাওয়ানোর চেষ্টা করেন মিজান। প্রতিবাদ ও বিরোধিতা করার একপর্যায়ে ওই গাড়ি যানজটে আটকা পড়ে। উপস্থাপিকা গাড়ির ভেতর থেকে পথচারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সমর্থ হন। জনতা ভিড় জমালে আশপাশ থেকে অন্য পুলিশেরা এসে মিজানকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। অপকর্ম ধামাচাপা দিতে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকার পুলিশকে ব্যবহার করেন তিনি। মহানগর পুলিশ কমিশনার হিসেবে তিনি কতটুকু দায়িত্ব পালন করেছেন বোঝা যায়। একইভাবে অন্যান্য জেলা ও থানা পুলিশকে নিজের অন্যায়কর্মের সমর্থনে ব্যবহার করেন। ডিআইজি মিজানকে নিয়ে মিডিয়া দলবেঁধে সংবাদ করছে। সংবাদ প্রকাশের ধরন দেখে মনে হতে পারে, আমাদের পূতপবিত্র পুলিশ বিভাগের মধ্যে একমাত্র মিজান জঘন্য অন্যায়কারী। বিষয়টি আসলে এমন নয়। পুলিশে নানা ধরনের অন্যায় রয়েছে। সময়মতো জাতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা গেলে সমাজে ব্যাপক হারে অন্যায়, অনিয়ম ও দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়তে পারত না। সেগুলো সময়মতো জনগণকে জানাতে ব্যর্থতা রয়েছে সংবাদমাধ্যমের। তবে এটা ঠিক, সাংবাদিকেরা পুলিশ ও ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর ব্যাপক নিপীড়নের শিকার। তাদের চাহিদানুযায়ী না চললে সাংবাদিক এবং অনেক সংবাদমাধ্যম টিকে থাকার ক্ষমতা রাখে না। গুম-অপহরণের পরিসংখ্যান প্রদর্শন করলে এটা নিশ্চিত করে বলা যায়, বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো নয়। অপহরণ নিয়ে পুলিশ একটা রহস্যময় আলো-আঁধারি তৈরি করেছে। একজন মানুষ কয়েক মাস নিখোঁজ থাকার পর তাকে পুলিশ আটক দেখাচ্ছে। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তারা আসামি খুঁজে পেয়েছে। আদালতে হাজির করানোর পর পুলিশের মনোভাব হচ্ছে, অপরাধীকে পাকড়াও করতে তারা পেরেছে। কিন্তু এত দিন ধরে নিখোঁজ থাকার রহস্য কী, সে ব্যাপারে পুলিশ কিছু বলছে না। ভাবখানা এমন- এ ব্যাপারে তারা কিছুই জানে না। কিছু জানার যেন তাদের দরকারও নেই। সম্প্রতি দুই রাজনীতিকের ব্যাপারে এমনটি ঘটেছে। তারা প্রায় একই সময় নিখোঁজ হন। কয়েক মাস ধরে বেশ আলোচিত ছিলেন। মোটামুটি সবাই তাদের নিখোঁজ থাকার ঘটনা জানেন। তাদের খোঁজখবর চেয়ে দল ও পরিবারের পক্ষ থেকে অনেক ধরনা দেয়া হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে। এখন পুলিশ যদি নিখোঁজের চেয়ে আসামি আটকের ঘটনা বেশি করে হাইলাইট করে, তাতে গুমের বিষয়টি আড়াল হয়ে যায় না। বিএনপি নেতা সৈয়দ সাদাত চার মাস ধরে নিখোঁজ ছিলেন। হঠাৎ করে তাকে গ্রেফতারের কথা জানায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। তারা বলেছে, সাদাত পলাতক আসামি। রাজধানীর রামপুরা সেতুর কাছে দাঁড়ানো থাকা অবস্থায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ২২ আগস্ট বিকেলে বিমানবন্দর সড়কের বনানী উড়াল সড়কের নিচে সাদা পোশাকের কয়েক ব্যক্তি সাদতের গাড়ি থামিয়ে তাকে তুলে নেয়। গাড়িতে থাকা তার সন্তানকে অপহরণকারীরা জানায়, সাদাত ১৫ মিনিট পরে ফিরে আসবেন। সেই ১৫ মিনিট হয়ে যায় চার মাস সাত দিন। অপহরণের সময় কেউ অপহরণকারীদের চিনতে পারেনি। তবে খোঁজ পাওয়ার পর জানা গেল, গোয়েন্দা পুলিশ তাকে আটক করেছে। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে রমনা থানা এলাকার গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় তাকে ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ। আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড দিয়েছেন। ঠিক একই ধরনের ঘটনা দেখা গেল কল্যাণ পার্টির সাধারণ সম্পাদক এম এম আমিনুর রহমানের ব্যাপারে। তিনিও প্রায় চার মাস আগে নিখোঁজ হন। পরে তাকে ঢাকার শাহজাদপুর থেকে আটক করে পুলিশ। তাকেও ২০১৫ সালের একটি মামলায় পুলিশ আটক দেখিয়েছে। এ দুই রাজনৈতিক নেতার আটক হওয়ার স্থান প্রায় কাছাকাছি। অন্য দিকে নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে ঢাকা থেকেই। সাম্প্রতিক সময়ে উদ্ধার হওয়া অনেকের ক্ষেত্রে একই ধরনের স্থান ও ঘটনার একই বর্ণনা পাওয়া যাচ্ছে। দুর্ভাগ্য হচ্ছে, রহস্য উদঘাটনের খুব কাছাকাছি এসেও যেন এসব ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা যাচ্ছে না। মনে হচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এসব ঘটনা খোলাসা করতে আগ্রহী নয়। বিদায়ী বছরে ৯১ জন নিখোঁজ হয়েছেন। এর মধ্যে ৬১ জনের খোঁজ এখনো মেলেনি। যেভাবে দুই রাজনৈতিক নেতাকে পুলিশ আটক দেখিয়েছে, তাতে গুমের রহস্য যেন আরো ঘনীভূত হচ্ছে। একই ধরনের ঘটনা সম্প্রতি উদ্ধার হওয়া অরাজনৈতিক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও দেখা যাচ্ছে। এই ঘটনাগুলো চুলচেরা বিশ্লেষণ করলে গুমের পেছনের লোকদের শনাক্ত করা খুব কঠিন হবে না। পুলিশের একাংশ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে। ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারাও যে এর বাইরে নন, সর্বশেষ ডিআইজি মিজানের বিকৃত জীবনযাপন থেকে প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। তিনি রাজধানীতে একই সাথে কয়েকটি ফ্ল্যাট ভাড়া করে থাকেন। এক-একটি ফ্ল্যাটে তার এক-একজন সাথী। একটি পত্রিকার খবর অনুযায়ী, তিনি ঢাকায় ফ্ল্যাট ভাড়া দেন আড়াই লাখ টাকা।
তাহলে প্রশ্ন- তিনি আসলে কত টাকা বেতন পান। এর আগে দেখা গিয়েছিল, একজন পরিদর্শকের মেয়ে মাসে লাখ টাকা খরচ করতেন। মেয়েটি একপর্যায়ে নেশাগ্রস্ত হয়ে গিয়েছিল। ঐশী নামে ওই মেয়েটি নিজের পুলিশ বাবাকে সাথে মাসহ হত্যা করে। পুলিশ নিজেরা যখন অবৈধ কারবার করছেন, তখন এগুলোর আনজাম দিতে গিয়ে আরো কিছু অবৈধ কাজ করতে হচ্ছে। এ জন্য নিজেরা নিজেদের পদের ক্ষমতাকে ব্যবহার করছেন। পুলিশের অভ্যন্তরে যখন অপরাধ চর্চা বাড়ছে তখন অন্য অপরাধীদের পোয়াবারো অবস্থা। অন্যান্য অপরাধের সাথে অপহরণের যে চিত্র, সেটি জনমনে ব্যাপক আশঙ্কা সৃষ্টি করছে। প্রধানমন্ত্রী পুলিশের প্রতি দুটো প্রতিশ্রুতি চাইছেন। তার আশা, পুলিশ আইনের রক্ষকের ভূমিকা নেবে। তারা নিজেদের জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলবে। পুলিশের কমিটমেন্ট কোন জায়গায় দরকার, প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সেটা বোঝা যায়। পুলিশ সপ্তাহ ২০১৮-এর ডিনারে যোগ দিয়ে রাষ্ট্রপতি তাদের উদ্দেশে বলেছেন- আপনারা সেবা করুন, হয়রানি করবেন না। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পুলিশের প্রতি যথার্থই আহ্বান রেখেছেন। সেজন্য দরকার পুলিশের আত্মোপলব্ধি। পুলিশ সপ্তাহে আত্মসমালোচনার কোনো চিত্র আমরা দেখতে পেলাম না, বরং পুলিশের কার্যক্রমের প্রশংসা করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করে কিভাবে জনমনে আস্থা ফেরানো যায়, সেই আলোচনা নেই। এ ব্যাপারে কোনো দায়দায়িত্ব পুলিশ ও সরকার কেউ অনুভব করছে না। এ অবস্থায় পুলিশের কল্যাণ সভায় সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর জন্য বেশ কিছু দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়েছে। পুলিশের দাবি-দাওয়ার যৌক্তিকতা বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে এর সাথে তাদের কার্যক্রমের মূল্যায়ন জুড়ে দেয়া উচিত। অপরাধ দমনে সফলতার সাথে একে সম্পৃক্ত করা উচিত। আরো শর্ত থাকা উচিত আইন অমান্যকারী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেয়ারও। ডিআইজি মিজানের মতো যারা রয়েছেন, তাদের অপরাধের ব্যাপারে গোয়েন্দা সংস্থা অবশ্যই খবর রাখে। যারাই এমন অপরাধে জড়াবেন, সময়মতো তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
jjshim146@yahoo.com

0 comments:

Post a Comment