Last update
Loading...

‘হৃদয়ে বাংলাদেশ ও বিশ্বাসে কাতার’

বাংলাদেশের বিজয় দিবস ও কাতারের জাতীয় দিবস ২০১৭ উপলক্ষে আল নূর কালচারাল সেন্টারের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘হৃদয়ে বাংলাদেশ ও বিশ্বাসে কাতার’। ১৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ফানার ভবনে অধ্যাপক এ. কে. এম. আমিনুল হকের সভাপতিত্বে ও প্রকৌশলী মুনিরুল হকের পরিচালনায় উদ্বোধনী ভাষণ দেন আল নূর সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক মাওলানা ইউসুফ নূর। প্রধান আলোচক ছিলেন আইইবি কাতার শাখার চেয়ারম্যান ও বৃহত্তর চট্টগ্রাম সমিতির সভাপতি প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিমানের কান্ট্রি ম্যানেজার রিয়াজুল হাসান, আল নূর সংস্কৃতি বিভাগের সাবেক পরিচালক ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শামসুল আলম। আলোচনায় অংশ নেন কাতার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ইমাম ও খতিব মাওলানা মুশাহিদুর রহমান, আলনূর সমাজ কল্যাণ পরিচালক পেয়ার মুহাম্মদ ও অর্থ সম্পাদক সালেহ নূরন্নবী। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলোয়াত করেন রমজান হোসেন। মহিলা কর্ণার ও শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পরিচালনায় ছিলেন মাওলানা মাহমুদা, ফেরদৌসি পেয়ার, হেনা পারভিন ও লুৎফর নাহার। মাওলানা ইউসুফ নূর বলেন, বাংলাদেশকে আমরা হৃদয়ে লালন করি আর কাতারের সাথে রয়েছে আমাদের বিশ্বাসের সম্পর্ক। বাংলাদেশ আমাদের দিয়েছে পরিচয় আর কাতার দিয়েছে ভাগ্যোন্নয়নের সুযোগ।
তাই উভয় দেশের প্রতি বিশ্বস্ত থেকে সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব পালন আমাদের ঈমানি দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, সব নবী রাসূল ছিলেন মুক্তিকামী জনগণের কাণ্ডারি ও স্বাধীনতার অতন্দ্র সেনানি। মুহাম্মদ (সা.) ও অন্যান্য নবীদের মহান সংগ্রাম আমাদের প্রতিরোধ চেতনাকে শাণিত করে আর অসত্যের বিরুদ্ধে লড়তে অনুপ্রাণিত করে। প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস ও তাৎপর্য বিষয়ে সারগর্ভ বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বর্ণনার ক্ষেত্রে দলীয় সংকীর্ণতা পরিহার করতে হবে। আমরা বীরের জাতি, থাকব চির উন্নত মমশির। বাঙালি জাতির সুনাম ক্ষুণ্ন হয় এমন যেকোনো তৎপরতা থেকে দূরে থাকা সবার কর্তব্য। স্বাধীনতার সুফল ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়ার জন্য সবাইকে একযোগে কাজ করা দরকার। দেশের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণা কারো কল্যাণ বয়ে আনবে না। বাংলাদেশ বিমানের কান্ট্রি ম্যানেজার রিয়াজুল হাসান বলেন, আমাদের অর্জন অনেক তবে এখনো অনেক কিছু করার বাকি আছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ইস্পিত লক্ষ্যে পৌঁছা সম্ভব। পেয়ার মুহাম্মদ বলেন, উন্নততর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ কমিউনিটি গঠন সময়ের দাবি। ড. শামসুল আলম আলনূর কালচারাল সেন্টারর সাথে তার সংশ্লিষ্টতার কথা স্মরণ করে বলেন, এ  সেন্টারর কল্যাণে কাতারে আমি কুরআন ও ইসলাম শিক্ষার সুয়োগ পেয়েছি। মাওলানা মুশাহিদুর রহমান বলেন, দেশপ্রেমের বাণী প্রচারর জন্য এ ধরনের অনুষ্ঠান প্রশংসনীয়, তবে তার বাস্তব প্রয়োগ আরও জরুরি।

0 comments:

Post a Comment