Last update
Loading...

সোফিয়া কি একদিন সুফিয়ার চেয়ে বেশি ভালোবাসবে?

প্রথমেই আমরা শিরোনামের সুফিয়া ও সোফিয়া নামের দুই নারীকে চিনে রাখব, তারপর অন্য কথা। সুফিয়া হলেন মানবীয় অথবা অন্যভাবে বললে প্রাকৃতিক (natural) বুদ্ধিসম্পন্ন শাশ্বত এক বঙ্গললনা। তাকে blood and flesh (রক্তমাংসের শরীর) কিংবা তার নৃতাত্ত্বিক নাম Homo SapiensI বলতে পারি আমরা। আর সোফিয়াকে এই সেদিন দেখেছি, ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড’ ইভেন্টে। তিনি আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স অর্থাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এক যন্ত্রমানবী। এবার শুরু করা যাক। জড় ও জীবের সমন্বয়ে গঠিত এই পৃথিবীর ইতিহাসকে মোটামুটি চারটি যুগে ভাগ করে থাকেন সমাজতত্ত্ববিদ ও ঐতিহাসিকরা- আগুন, পাথর, ব্রোঞ্জ ও লৌহযুগ। লোহার সর্বশেষ যুগটি শেষ হয়েছিল যিশুখ্রিস্টের জন্মের ৬০০ বছর আগে। মনুষ্য প্রজাতি আসলে একটি রিলে রেসের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছে এবং আধুনিক সভ্যতার যে যুগটিতে এখন তার বাস, সেটা শুরু হয়েছিল লৌহযুগের শেষ পোস্টটিকে স্পর্শ করে। এ তো গেল মানবেতিহাসকে ভাগ করার একটা বিশেষ রীতি। এই লেখক ভাগটা করতে চায় আরেকভাবে- আগুনপূর্ব, আগুন, চাকা, বিদ্যুৎ, ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক ওয়েভ এবং সর্বশেষ গত শতাব্দীর মধ্যভাগে অ্যাকাডেমিক ডিসিপ্লিন হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়া আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের যুগ। আগুন আবিষ্কারের পর মানুষের জীবনধারণ পদ্ধতিই শুধু উন্নত হয়নি, বাড়তি চিন্তা করার সুযোগও তৈরি হয়েছে তার। আগুনে সেদ্ধ হওয়া অথবা পোড়ানো খাবার তখন কম পরিমাণে খেলেও পুষ্টি ও তৃপ্তি বেশি হতে থাকে এবং তাতে বাঁচে সময়ও। পশু শিকারে নিরন্তর সংগ্রাম করতে হয় না, ওদিকে আগুনের কল্যাণে পশুর আক্রমণ থেকে নিরাপত্তাও নিশ্চিত হয়। ফলে একদিকে সময়ের সাশ্রয় হয়, অন্যদিকে যাপন করা যায় অনেকটাই নিরুদ্বিগ্ন জীবন। সবটা মিলে সুযোগ সৃষ্টি হয় নতুন চিন্তা করার। এরপর মানুষকে বহুকাল অপেক্ষা করতে হয়েছে চাকা আবিষ্কারে। এই চাকা কমিয়ে আনে দূরত্ব, তৈরি হয় যোগাযোগের নতুন সম্ভাবনা। বর্তমান সময়ে উড়োজাহাজের গায়ে লাগানো থাকে যে চাকা, সেটা তো সেই আদি চাকারই স্মার্ট সংস্করণ। চাকার অধিকারী মানুষ আরেকটি দৈত্যাকৃতির লম্ফ দেয় বিদ্যুৎ আবিষ্কারের পর। বিদ্যুতের ফলে রাতের অন্ধকারজনিত অলৌকিকতা দূর হয়, ঝকঝক করে ওঠে রাতের পৃথিবী। বাড়ে শ্রমঘণ্টা, মানুষ স্টিম ইঞ্জিনের পর্যায় অতিক্রম করে পা রাখে ব্যাপক যান্ত্রিকতায়, শিল্প বিপ্লবের পথও হয় মসৃণ। তবে মানবসভ্যতার অগ্রগতিকে যদি ১০০ ধরা হয়, তাহলে এর ৫০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে লাখ লাখ বছর ধরে আর বাকি অর্ধেক হয়েছে ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক ওয়েভ উদ্ভাবনের পর থেকে। মাত্র দেড়শ’ বছরেরও কম সময় আগে উদ্ভাবিত এই ওয়েভ এক মহাকাণ্ড ঘটিয়ে ফেলে। দৃশ্যমান কোনো মাধ্যম ছাড়াই শব্দ ও ছবি চলাচল করতে থাকে পৃথিবীর এ প্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত। রেডিও, টেলিফোন, টেলিভিশন- মানুষের এ এক অন্যরকম জগৎ। ম্যাগনেটিক ওয়েভ মানুষকে এসব প্রেজেন্ট করেই ক্ষান্ত থাকে না, সে তার হাতে তুলে দেয় কম্পিউটার, অতঃপর স্মার্টফোন।
এবার পাল্টে যায় মানুষের ব্যবহারিক জীবনটাই। এটা এমন পাল্টানো যে, এ বছরেরই মে মাসে লস অ্যাঞ্জেলেসের এক লোক স্মার্টফোনের প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান আসক্তি ও এর ওপর নির্ভরতা পয়েন্ট আউট করতে তার নিজের ফোনটির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে। যা হোক, প্রযুক্তি যেভাবে লাফাচ্ছে, তাতে হাতের স্মার্টফোনটিও হয়তো একদিন নিরাকার হয়ে যাবে এবং তাতে যোগাযোগের কোনো খামতি হবে না। সড়ক বা মহাসড়কে যাত্রা করতে হলে আমাদের প্রথমে গাড়িতে স্টার্ট দিতে হয়, ইনফরমেশন সুপার হাইওয়েতে বিচরণ করতে একদিন হয়তো কোনো স্টার্টারেরও প্রয়োজন হবে না, অথবা কারও কাছে দাবিও জানাতে হবে না তথ্যের, এক অদৃশ্য সুপার-পাওয়ার কানের কাছে এসে বলতে থাকবে- কী চাচ্ছো বলো, এনে দিচ্ছি। সেটা এক বিরক্তিকর পরিস্থিতি হবে হয়তো; কিন্তু প্রযুক্তির ক্ষতি ও বিরক্তির দিক তো কিছু থাকেই। টেলিপোর্টেশন নিয়েও কি ভাবা হচ্ছে না? ম্যাটারকে এনার্জিতে পরিণত করে যদি অন্য কোথাও ট্রান্সমিট করা যায়, মানবদেহকেও ভেঙে অন্য কোথাও নিয়ে গিয়ে কেন জোড়া লাগানো (assemble) যাবে না? মানুষ তো ম্যাটারই, নাকি? আমরা সর্বশেষ era বা যুগটিকে বলেছি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগ। হ্যাঁ, এই যুগটি মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক উৎকর্ষের চূড়ান্ত রূপ, ফিউচারিস্টদের অনেকেই অবশ্য বলছেন, এই উৎকর্ষ আত্মঘাতীও বটে। সে প্রসঙ্গে পরে আসা যাবে, আপাতত আমরা শিরোনামের দুই সতীন সোফিয়া ও সুফিয়াতে ফিরে যাব। যে সোফিয়াকে দেখলাম আমরা, তাকে বলা যেতে পারে পরীক্ষামূলক যন্ত্রমানবী, তার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার স্তর খুবই প্রাথমিক। ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত থেকে সে ডেটা প্রসেস করে প্রশ্নের একটা বেসিক উত্তর দিচ্ছে। কখনও বা চেহারায় ফুটিয়ে তুলছে আনাড়ি এক্সপ্রেশনও। ক্রিয়ার বিপরীতে তার প্রতিক্রিয়া ও এক্সপ্রেশন ডেটাভিত্তিক। এক কথায় সে প্রোগ্রাম্ড রোবট। সোফিয়ার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যে স্তরে রয়েছে, তার চেয়ে অনেক উঁচুমানের বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন রোবট ইতিমধ্যেই জাপানসহ কিছু দেশে নানা অ্যাক্টিভিটিতে সক্রিয় রয়েছে। কথা সেটা নয়, পয়েন্টটা হল তার মেন্টাল গ্রোথ অথবা যদি বলি বুদ্ধির উৎকর্ষ, দিন দিন বাড়তেই থাকবে এবং সেটা অতি দ্রুতগতিতে। আমরা এখন প্রায় প্রতিদিনই যেমন আইটি সেক্টরের অগ্রগতি দেখছি, সেই জ্যামিতিক প্রগমনেই (geometric progression) সোফিয়া ও তার সমগোত্রীয়রা একদিন হয়ে উঠবে একেকজন এমন হিউম্যানয়েড রোবট, যারা শুধু বুদ্ধিতে নয়, সেন্সিটিভিটি-ইমপাল্স-রিজনিং- সবক্ষেত্রেই এগিয়ে যাবে সুফিয়াদের চেয়ে। কম্পিউটারের সঙ্গে দাবা খেলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ও গ্রান্ডমাস্টাররা যেমন হেরে যাচ্ছেন, সুফিয়ারা তখন কুলোতে পারবে না সোফিয়াদের সঙ্গে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার স্তর কীভাবে ধাপ অতিক্রম করবে, একটা উদাহরণের মাধ্যমে বোঝা যেতে পারে। ধরা যাক, একটি রোবটের সামনে দুটি ঘড়ি রাখা হল, যে দুটির একটির কাঁটা স্থির, অর্থাৎ ঘড়িটি বন্ধ। অন্যটি পাঁচ মিনিট স্লো চলছে। এবার তাকে জিজ্ঞেস করা হল, এ দুয়ের কোন্টি কেনা লাভজনক? রোবটটি যদি হতো দশ বছর আগের, তাহলে সে বলত বন্ধ ঘড়িটিই, কারণ সেটা দিনে-রাতে অন্তত দু’বার সঠিক সময় দেবে। সোফিয়া কিন্তু তা বলবে না। সে পরামর্শ দেবে স্লো ঘড়িটি কিনতে, বলবে- ঘড়ির সময়ের সঙ্গে পাঁচ মিনিট যোগ করে হিসাব করলেই সঠিক সময়টা জানা যাবে। আর আগামী দিনের হিউম্যানয়েড রোবট সোফিয়ার চেয়ে অনেক এগিয়ে বলবে- এবার আমার কনসালটেন্সি ফি-টা দিন তো! সোফিয়ারা কীভাবে মানুষের প্রোগ্রামিংয়ের অপেক্ষায় না থেকে ইন্টেলিজেন্ট, সেন্সিটিভ, ইমপাল্সিভ ও র‌্যাশনাল সত্তায় পরিণত হবে, তা একটু ব্যাখ্যা করা যাক। বর্তমানে যে পদ্ধতিতে ইন্টারনেটের ব্যবহার হচ্ছে, অচিরেই সেই সুযোগ আরও অবারিত হতে যাচ্ছে। চেষ্টা চলছে বায়ুমণ্ডলের শেষ স্তর স্ট্রাট্রোম্ফিয়ার থেকে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সার্ভিস সরবরাহ করার। গুগল বেলুনের এবং ফেসবুক ড্রোনের মাধ্যমে এই সার্ভিস দেয়ার অবিরাম চেষ্টায় রত এখন। এই চেষ্টা সফল হলে সোফিয়ারা এক অন্তহীন ডেটাবেসের সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংযুক্ত হয়ে পড়বে। সেই তথ্য ব্যবহার করতে করতে তার লার্নিং পদ্ধতিতেও আসবে পরিবর্তন। সেই শিখনপদ্ধতির শিক্ষার্থী হিসেবে ক্রমাগতভাবে উন্নত করবে তারা নিজেদের। জ্ঞান সঞ্চয় করতে শিখবে এবং সেখান থেকে তাদের নিজস্ব নিয়মে ব্যাখ্যা করতে পারবে যে কোনো কিছুই। তথ্যের প্রক্রিয়াকরণই জ্ঞান ও যুক্তির উৎস। এবং এভাবে এক সময় ন্যায়-অন্যায়, ভালো-মন্দ, গ্রহণ-বর্জন ইত্যাদি ব্যাপারেও তৈরি হবে সোফিয়াদের নিজস্ব ধারণা। এ পর্যায়ে অবশ্য একটা বিপদের দিক স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে। হতে পারে মনুষ্য সমাজের চোখে যা অন্যায়, সোফিয়ারা সেটাকে দেখবে ন্যায় হিসেবে অথবা উল্টোটাও হতে পারে। শ্লীল-অশ্লীলের ধারণায়ও হয়তো তাদের দৃষ্টিভঙ্গি হবে ভিন্ন। কোনো কিছু চাপিয়ে দিয়ে তাদের দিয়ে নির্দেশ পালন করানোও কঠিন হয়ে পড়বে তখন। বাবা-মা যেমন অনেক ক্ষেত্রে সন্তানকে শত চেষ্টায়ও তাদের মনমতো গড়ে তুলতে পারে না, এক সময় মানুষের কথায়ও কান দেবে না তেমন যন্ত্রমানব। বিপদের সে কথাই বলেছেন স্টিফেন হকিং। বলেছেন, মানবজাতির সামনে এখন দুই বড় বিপদ ঝুলে আছে- গ্লোবাল ওয়ার্মিং ও আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স। হতে পারে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার রোবট এক সময় ফ্রাঙ্কেনস্টাইন হয়ে বধ করবে তার স্রষ্টাকেই। টেসলারের প্রধান নির্বাহী ও ফিউচারিস্ট ইলোন মাস্কের কথা হল, হিউম্যান বিয়িংকে হিউম্যানয়েড রোবটের সঙ্গে ব্লেন্ড করেই বেঁচে ও টিকে থাকতে হবে। আসলে আমরা কেউই এই মুহূর্তে আন্দাজ করতে পারছি না, রক্তমাংস ও যন্ত্র- এ দুইয়ে আদৌ কোনো যুদ্ধ বাধবে কিনা অথবা বাধলেও সেই শত্রুতার স্বরূপটা কেমন হবে। যেমন, কালো টাকা যেভাবে বাজার থেকে সাদা টাকা হটিয়ে দেয়, ওয়ার্কিং রোবটরা তেমন হিউম্যান ওয়ার্কারদের হটিয়ে তৈরি করছে যখন বেকারত্ব, তখন তো একটা পর্যায়ে এ দুইয়ের সম্পর্কে চিড় ধরতে বাধ্য। অর্থাৎ বলা যেতে পারে, রোবটগুলো বিকশিত হচ্ছে শত্রুতারই সংস্কৃতি চর্চা করতে করতে। তবে কি মানুষ এক আত্মঘাতী প্রাণী, এক সময় পান করবে বলে সে পাত্রে ঢালছে বিষ? এ যে গোকুলে নয়- তোমারে বধিবে যে, প্রকাশ্যেই বাড়িছে সে! আমরা বোধহয় খুব সিরিয়াস আলাপে ঢুকে পড়েছি, একটু হাল্কা হওয়ার চেষ্টা করা যাক। ভালোবাসায় কতটা রোমান্টিক হয়ে উঠবে এক সময় সোফিয়া? সে কি সুফিয়ার মতো অথবা তার চেয়ে বেশি ভালোবাসতে পারবে পুরুষ? পারবে না, এই একটা জায়গাতেই পিছিয়ে থাকবে সে সুফিয়ার চেয়ে। সুফিয়া মৌলিক, ঈশ্বরপ্রদত্ত প্রকৃত যেমন; সোফিয়া যৌগিক, মানুষের তৈরি শহরের মতো। যৌগধর্মের কারণে সোফিয়ার চুলে যেমন খুশকি জন্মাবে না, বাসা বাঁধতে পারবে না উকুনও; তার হৃদয়েও জন্ম নেবে না অনুভূতির আগাছা। অথচ অপ্রয়োজনীয় কথা ছাড়া ভালোবাসা হয় না, ভালোবাসার বাগানে থাকতে হয় আগাছা, অন্যথায় সেটা সুন্দর বাগান নয়। আবার ভালোবাসাই একমাত্র ক্রিয়া, যা প্রশিক্ষণ দিয়ে হয় না। স্বামী ছুটিশেষে যখন শহরের কর্মস্থলে ফিরে যেতে প্রস্তুতি নিতে থাকে, তখন আমাদের সুফিয়ারা কখনও কখনও বগলে রসুন রেখে জ্বর বাঁধিয়ে তাকে আটকায়। সোফিয়া জ্বর বাঁধানোর কৌশলটুকু রপ্ত করতে পারবে হয়তো; কিন্তু তার অতটা মমতা থাকবে না, যতটা দিয়ে আটকানো যায় স্বামী। মৌলিকত্বের গুণই আলাদা। এই গুণ বিরহের মাঝেও মিলন দেখতে পায়। আবার মৌলিক মানুষের কাছে ওই মিলনটিই মৌলিক। কবি আবুল হাসান যেমনটা বলেছেন- ‘যত দূরে থাকো ফের দেখা হবে। মানুষ যদিও বিরহকামী, কিন্তু তার মিলনই মৌলিক।’ এতটা সমৃদ্ধ হবে কি সোফিয়া? পারবে না। নো, নেভার! হৃদয় যৌগ, কারণ এতে ভেজাল অনুভূতি মিশে যায় কখনও কখনও; কিন্তু আত্মা (soul) মৌলিক। রোবোটিক্সের সাধ্য নেই তাকে স্পর্শ করে। সবশেষে কী বলা যায়! খোদা না খাস্তা সোফিয়ারা যেন ছলনাময়ী না হয়। শেকসপিয়র চারশ’ বছর আগে লিখেছিলেন- Frailty thy name is woman. সোফিয়া পরিপূর্ণ নারী হওয়ার পর সেকালের কোনো কবি যেন আরও কঠিন কোনো কথা লিখতে বাধ্য না হন।
মাহবুব কামাল : সাংবাদিক
mahbubkamal08@yahoo.com

0 comments:

Post a Comment