Last update
Loading...

'বিদেশী গণমাধ্যমে এমন খবর প্রচার হয়নি'

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে খালেদা জিয়ার উকিল নোটিশ পাঠানোর বিষয়ে বিবিসির এক সংবাদের কিছু অংশের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া এবং ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দুইজন উপদেষ্টা। গত ২০ ডিসেম্বর বিবিসি বাংলার ওয়েবসাইটে খবরটি প্রকাশিত হয়েছিল। বিবিসি। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাবেক উপদেষ্টা জাহিদ এফ সরদার সাদী এবং ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা আবু সায়েম পৃথক বিবৃতিতে এ খবরের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, এতে বস্তুনিষ্ঠতার অভাব রয়েছে। অনেকটা অভিন্ন ভাষায় দেয়া বিবৃতিতে তারা প্রকাশিত সংবাদটির একটি অংশের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন যেখানে বলা হয়েছিল ‘সৌদি আরবে বিপুল সম্পদ পাচারের েেত্র সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পরিবারের নাম উঠে আসার খবর সম্প্রতি বিদেশী গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়।’ বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘উপরিউক্ত বর্ণনায় পাঠকদের মনে এ ধারণা প্রতিষ্ঠার প্রয়াস পরিলতি হয় যে বিদেশী গণমাধ্যম সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ‘সম্পদ পাচারের’ কথিত অভিযোগটি প্রচার করেছে। আশ্চর্যজনক ঘটনা হলো, কোনো সূত্রের বরাত না দিয়েই বিবিসি বাংলা নিজেদের ভাষায় বক্তব্যটি উদ্ধৃত করে। সংবাদের আগের পরের অনুচ্ছেদ দুইটি পাঠকদের মনে ‘সম্পদ পাচারের’ আগাগোড়া মিথ্যা তথ্যটি বিশ্বাসে বাড়তি সহায়তা করবে।’
তারেক রহমানের উপদেষ্টা আবু সায়েম বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের সুস্পষ্ট বক্তব্য হচ্ছে কথিত বিদেশী গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে বাংলাদেশের কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে ছাপানো খবরটি বানোয়াট, কল্পনাপ্রসূত এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’ তারা আরো বলেছেন, বাংলাদেশের একটি সংবাদপত্রে যে কথিত বিদেশী গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে সম্পদ পাচারের কাল্পনিক অভিযোগটি প্রচার করা হয়, সেসব বিদেশী গণমাধ্যমের কোনো অস্তিত্ব নেই। কথিত কানাডীয় টিভি চ্যানেল ‘দ্য ন্যাশনাল’ এবং আরবভিত্তিক চ্যানেল ‘দ্য গ্লোবাল ইনটেলিজেন্স নেটওয়ার্ক’ বলে কোনো প্রতিষ্ঠানের কোনো অস্তিত্বই নেই সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে। বিবৃতিতে তারা আরো বলেছেন, বিবিসি বাংলা তাদের এ খবরে নিরপেতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে এবং পাঠকদের মনে বিভ্রান্তি তৈরির সুযোগ করে দিয়েছে। পাঠকদের মনে এমন ধারণা তৈরি হতে পারে যে, বিবিসি বাংলা ‘বিদেশী গণমাধ্যম সম্পদ পাচারের সংবাদ প্রচার করেছে’ বলে নিশ্চিত করেছে। আমাদের বক্তব্য : প্রকাশিত প্রতিবেদনটির মাধ্যমে বিবিসি বাংলা কোনোভাবেই বিভ্রান্তি তৈরি করতে চায়নি। প্রতিবেদনটি ছিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উকিল নোটিশ পাঠানোর বিষয়ে এবং এ খবরটির পটভূমিটি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সেখানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সংবাদ সম্মেলনে যেসব কথা বলেছিলেন তার উল্লেখ করতে হয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেটি করতে গিয়ে যেভাবে বাক্যটি গঠন করা হয়েছিল, তা সঠিক ছিল না। আমাদের স্বীকার করতে দ্বিধা নেই যে এতে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অবকাশ ছিল। আশা করি, এ নিয়ে এখন বিভ্রান্তির অবসান ঘটবে।

0 comments:

Post a Comment