Last update
Loading...

বলিউডের নির্যাতিত নারীরা

মানদানা করিমি
‘ক্যায়া কুল হ্যায় হাম ৩’ ছবিতে অভিনয় করে বলিউডে আলোচিত হয়েছেন অভিনেত্রী মানদানা করিমি। এ বছরের জানুয়ারিতে প্রেমিক গৌরব গুপ্তকে বিয়ে করেন তিনি। কিন্তু সম্প্রতি স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন মানদানা। কারণ, তিনি পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তাঁকে নাকি চলচ্চিত্র জগৎ ছাড়তে বলা হয়েছে। এমনকি শাশুড়িও নাকি তাঁকে হয়রানি করেছেন এ নিয়ে।
রতি অগ্নিহোত্রী
বলিউড অভিনেত্রীদের মধ্যে মানদানা কিন্তু এই তালিকায় একা নন। পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন আরও অনেকে। ‘কুলি’খ্যাত অভিনেত্রী রতি অগ্নিহোত্রী যখন ক্যারিয়ারের তুঙ্গে, তখন বিয়ে করেছিলেন ভিরওয়ানিকে। কিন্তু ধীরে ধীরে স্বামী তাঁর কাজ নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলে রতির ওপর চালাতে থাকেন শারীরিক নির্যাতন। একটা সময় রাতি পালিয়ে তাঁর বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেন।
জিনাত আমান দুর্ভাগা ছিলেন জিনাত আমানও। প্রথম স্বামী সঞ্জয় খান এবং দ্বিতীয় স্বামী মাজহার খানও তাঁকে শারীরিক নির্যাতন করতেন। সঞ্জয় খান তো জিনাতের চোখে চিরদিনের জন্য এমন ক্ষত করে দিয়েছেন, যা আর বিলুপ্ত হওয়ার নয়। জিনাত চেয়েছিলেন একটা সুখী পরিবার। চেয়েছিলেন তাঁর সন্তানের জন্য একজন ভালো বাবা। কিন্তু তাঁর আশা কোনো দিন পূরণ হয়নি।
শ্বেতা তিওয়ারির প্রথম স্বামী রাজা চৌধুরীর সঙ্গে অভিনেত্রী শ্বেতা তিওয়ারির সম্পর্কটাও ভালো যায়নি। এক সাক্ষাৎকারে শ্বেতা জানান, বিয়ের তিন মাস পর থেকেই রাজা তাঁকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেছিলেন, যা তাঁদের মেয়ে পলকের ওপরও বাজে প্রভাব ফেলেছিল।
যুক্তামুখী নির্যাতনের তালিকা থেকে বাদ পড়েননি সাবেক বিশ্বসুন্দরী যুক্তামুখীও। নিউইয়র্কের ব্যবসায়ী প্রিন্স তুলিকে বিয়ে করে সুখী হতে পারলেন না যুক্তামুখী। এক সাক্ষাৎকারে তিনি প্রকাশ করেন, তাঁর সাবেক স্বামী তাঁকে শারীরিক ও যৌন নিপীড়ন করতেন। এমনকি তাঁদের ছেলের সঙ্গেও খারাপ আচরণ করতেন।
কারিশমা কাপুর
কাপুর পরিবারের সদস্য কারিশমা কাপুরও হয়েছিলেন পারিবারিক নির্যাতনের শিকার। শুধু সাবেক স্বামী সঞ্জয় কাপুরই নন, কারিশমার শাশুড়ি রানি কাপুরও তাঁকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেছেন। কারিশমা আরও অভিযোগ করেছিলেন, তাঁর স্বামী অন্য নারীর সঙ্গে পরকীয়া করতেন। এমনকি সন্তানদের প্রতিও যত্নবান ছিলেন না সঞ্জয়।
প্রীতি জিনতা প্রীতি জিনতার টোল পড়া হাসির মধ্যে লুকিয়ে ছিল নির্যাতনের ভয়। তাই প্রেমের সম্পর্কের ইতি টেনেছিলেন ব্যবসায়িক সঙ্গী নেস ওয়াদিয়ার সঙ্গে। প্রীতির অভিযোগ, নেস তাঁকে যৌন নির্যাতন করেছিলেন এবং হুমকি দিয়েছিলেন। তাই নেসের সঙ্গে সম্পর্ক রাখাটা নিরাপদ মনে করেননি তিনি।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

0 comments:

Post a Comment