Last update
Loading...

চোখে চুলকানি ও লাল হওয়া

এ সময় বাতাসে আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা পরিবর্তনের জন্য চোখে খচ খচ করা, চোখ জ্বলা, চুলকানি ও লাল হয়ে যাওয়া অন্যতম উপসর্গ। রোগী ডাক্তারের কাছে গেলে রোগের বিবরণ শুনে নিন্মের কারণ খুঁজে বের করেন-
* যদি পুঁজসহ চোখে পানি ঝরে তবে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ।
* চোখে পরিষ্কার পানি ঝরলে ভাইরাস বা অ্যালার্জির কারণে হয়।
* চোখে চুলকানি বাড়তে থাকলে তাকে অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস বলে।
* দৃষ্টি ঝাঁপসা হয়ে গেলে, সূর্যের আলোতে অস্বস্তি ও চোখে ব্যথা হলে তা মারাত্মক রোগের পূর্বাভাস।
কেন হয় : ধোঁয়া, বাতাস, সূর্যের আলো, ব্যাকটেরিয়া, বিভিন্ন অ্যালার্জেনের কারণে চক্ষুগোলকের সাদা অংশে প্রদাহ হয়ে কনজাংটিভাইটিস সৃষ্টি হয়।
চিকিৎসা : চোখের ড্রপ যেমন এন্টিহিস্টামিনের সঙ্গে ভেসোকনস্ট্রিকটর মিশিয়ে ব্যবহার করলে রোগ দ্রুত আরোগ্য হয়। মুখে খাওয়ার এন্টিহিস্টামিন। গু­কোমা রোগীকে এন্টিহিস্টামিন দেয়া নিষেধ। যাদের প্রায়ই বা সারা বছর চোখের এ সমস্যা হয় তাদের নির্দিষ্ট অ্যালার্জেনের জন্য ইমিউনোথেরাপি নিতে হয়। অ্যালার্জি এড়িয়ে চলতে পারলে উপকার পাওয়া যায়।
অ্যালার্জি ও অ্যাজমা রোগ বিশেষজ্ঞ
অ্যালার্জি ও অ্যাজমা সেন্টার, পান্থপথ, ঢাকা।
মোবাইল : ০১৭২১৮৬৮৬০৬

0 comments:

Post a Comment