Last update
Loading...

শেরপুরে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে অবাধে চলছে অবৈধ সিএনজি অটোরিক্সা

শেরপুরে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে মহাসড়কে অবাধে চলাচল করছে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা ও সিএনজি। মহাসড়কের ওপরে সিএনজি স্ট্যান্ড ঠিক রাখতে প্রশাসনকে ম্যানেজের অভিযোগ উঠেছে। হাইকোর্টের আদেশ উপেক্ষা করে শেরপুরে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের ওপরে গড়ে তোলা হয়েছে সবুজ অটোরিক্সা ও সিএনজি স্ট্যান্ড। সেখান থেকে যাত্রী উঠানামা সহ রুট পরিচালনা করা হচ্ছে দিবারাত্রী। ওদিকে মহাসড়কে সিএনজি চালাতে গিয়ে গত ৭জুন মারা গেছে শেরপুরের চাঁন মিয়া নামের একজন সিএনজি চালক। সরেজমিনে দেখা যায়, বগুড়ার জেলার দক্ষিন সীমান্তে অবস্থিত ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক। মহাসড়কের উত্তরে বগুড়া জেলা শহর থেকে দক্ষিনে চান্দাইকোনা বগুড়া বাজার পর্যন্ত প্রায় ৪০ কিলোমিটার মহাসড়কে এরকম অনিয়ম চলছে বহুদিন আগে থেকে। মহাসড়কের ওপরে সরকারি ভাবে নিষিদ্ধ করা অটোরিক্সা ও সবুজ সিএনজি সব সময় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। আর এই সকল সিএনজি ও অটোরিক্সা থেকে মাসে লাখ লাখ টাকা চাঁদা করা হচ্ছে। গত ২৯ মে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসে পরিষদের আইন-শৃংখলা কমিটির বিশেষ সভার এক পত্রের স্বারক নং-০৫.৫০.১০৮৮.০০০.১০.০০৫.১৭.৭৯৬(৩০) সিদ্ধান্তের আলোকে শেরপুর পৌরশহর সহ উপজেলায় সকল রাস্তায় ফুটপাত অবৈধ দখল এবং প্রভাবশালী দখল বাজদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এরপর শেরপুর পৌরসভা এবং উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বেশ কিছু দোকান উচ্ছেদ করা হলেও বাকিগুলো এখনো বহাল তবিয়তেই রয়েছে। এখনি যদি এদেরকে সরানো না যায় তাহলে আবারো পুরোটাই দখল হয়ে যাবে। ফুটপাত দখলের বিরুদ্ধে সামান্য হলেও অভিযান হয়েছে, তবে ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সা ও সিএনজি চলাচলের বিরুদ্ধে এখনো তেমন কোন অভিযানের খবর পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সিরাজুল ইসলাম এবং শেরপুর পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তারের জোরালো কোন পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হয়নি। এ ব্যাপারে শেরপুর হাইওয়ে ট্রাফিক ইন্সপেক্টার মো. আনোয়ার হোসেন জানান, সরকারি নির্দেশ মোতাবেক কোন সিএনজি মহাসড়কে চলাচল করতে দেয়া হবে না। এছাড়াও মহাসড়কের ওপরে কোন সিএনজি ষ্ট্যান্ড থাকবে না। একই মন্তব্য শেরপুর হাইওয়ে ট্রাফিক এর টিএসআই ইলিয়াস হোসেনের। শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিনের জমানো অবৈধ দখলবাজ সমস্যা এটা। আমরা একটা মাত্র অভিযান পরিচালনা করেছি। থানার ওসি সাহেবকে বলেছি এটা চলমান প্রক্রিয়া তাই অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে। শেরপুর থানার ওসি খান মো.এরফান জানান, হাইওয়ে রোডের ওপরে কোন সিএনজি চলাচল করতে দেয়া হবে না। মহাসড়কের ওপরে কোন সিএনজি স্ট্যান্ড থাকবে না। উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে, এটা অব্যাহত থাকবে। শেরপুর সিএনজি অটোরিক্সা মালিক কমিটির আহবায়ক মো. কামাল হোসেন জানায়, আমরা সরকারি নির্দেশ মোতাবেক হাইওয়ে রোডে চলতে চাই না। এজন্য দরকার শহরতলীর দক্ষিনে শেরুয়া বটতলা থেকে শেরপুর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত প্রায় ২ কিলেমিটার বিকল্প রাস্তা। এটা সরকারের কাছে আমাদের দাবী।

0 comments:

Post a Comment