Last update
Loading...

প্রতিবেশিদের আকাশ ব্যবহার করতে পারবে না কাতার

কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার পর এবার কাতারকে আকাশসীমা ব্যবহার করতে না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিবেশি দেশ মিশর। মঙ্গলবার দেশটির তরফ থেকে এমন তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। মিশরের এমন পদক্ষেপের পথে কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা দেশগুলোও হাঁটবে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। খবর বিবিসির। মিশর তাদের ঘোষণায় জানিয়েছে, কাতারের জন্য মঙ্গলবার থেকেই তাদের আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাবে। পরবর্তী ঘোষণা না আসা পর্যন্ত এ অবস্থা বলবৎ থাকবে। এদিকে প্রতিবেশিদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে না পারলে বিমান পরিচালনায় বড় ধরনের সমস্যায় পড়বে কাতার। দেশটির জাতীয় বিমান সংস্থা সবচেয়ে বড় ক্ষতির মুখে পড়বে। দুবাই, আবুধাবি, রিয়াদ এবং কায়রোর মত জায়গায় তাদের ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যাবে। এছাড়া তাদের বর্তমান রুট পরিবর্তন করে অন্য রুটে বিমান পরিচালনা করতে হলে সময় ও জ্বালানি দুটিই বেশি লাগবে। যা কাতার এয়ারওয়েজের সেবা নিতে যাত্রীদের অনুৎসাহিত করবে। তবে কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেইখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রাহমান আল থানি আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, তাদের আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমা এবং আন্তর্জাতিক আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে। এদিকে নিষেধাজ্ঞার কারণে কাতারের রাজধানী দোহার বিমানবন্দরে বিমান চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে।
ইতিমধ্যে বিমান সংস্থা ফ্লাইদুবাই এবং এয়ার অ্যারাবিয়াও তাদের দোহার ফ্লাইটগুলো বাতিল করেছে। অপরদিকে এতিহাদ এয়ারওয়েজ এবং এমিরেটসও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বর্তমানে এতিহাদ এয়ারওয়েজ এবং এমিরেটস এই দুই বিমান সংস্থা দোহাতে দিনে চারটি ফ্লাইট পরিচালনা করে। সোমবার সৌদি আরব ও তার তিন মিত্র কাতারের বিরুদ্ধে জঙ্গি সংগঠনকে সমর্থন ও সহযোগিতার অভিযোগ তুলে। পাশাপাশি কাতারের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট হচ্ছে বলেও অভিযোগ করে সম্পর্ক ছিন্ন করে দেশগুলো। প্রথম দফায় সৌদি আরব, মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন সম্পর্ক ছিন্ন করলেও পরের দফায় লিবিয়া এবং ইয়েমেনও কাতারের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করে। কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা দেশগুলোর নাগরিকদের কাতারে যাওয়া, সেখানে বসবাস করা বা কাতার হয়ে অন্য কোন দেশে যাওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এসব দেশের নাগরিকদের দুই সপ্তাহের মধ্যে কাতার ছাড়তে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সৌদি আরব, আরব আমিরাত এবং বাহরাইনে বসবাসরত কাতারিদেরও একই সময়ের মধ্যে এসব দেশ ছেড়ে যেতে বলা হয়েছে।

0 comments:

Post a Comment