Last update
Loading...

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে টাইগারদের পথচলা

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে এবার টাইগার ভক্তদের উন্মাদনা একটু বেশিই। আর হবেই বা না কেন? এবার তো র‌্যাংকিংয়ে সবচেয়ে ভালো ও শক্তিশালী অবস্থানে থেকে টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে মাশরাফি বাহিনী। তবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শুরু থেকেই কিন্তু অংশগ্রহণ ছিল বাংলাদেশের। শুরুতে এই টুর্নামেন্টের নাম ছিল আইসিসি নক-আউট প্রতিযোগিতা। ১৯৯৮ সালের প্রথম ও ২০০০ সালেও বৈশ্বিক এ আয়োজনের অংশ ছিল বাংলাদেশ। প্রথমবার অবশ্য কেবল আয়োজক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেবেছ বাংলাদেশ। পরেরবার ছিল অংশগ্রহণ। পরে শ্রীলঙ্কায় ২০০২ ও ইংল্যান্ডে ২০০৪ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অংশ নেয় টাইগাররা। ২০০৬ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও অংশ নিয়েছিল হাবিবুল বাশারের বাংলাদেশ।
১৯৯৮
এ আসরের আয়োজক ছিল বাংলাদেশ। এতে অংশগ্রহণ ছিল না টাইগারদের।
২০০০
এ আসরে কেনিয়া, ভারত, শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ; বাংলাদেশ এবং ইংল্যান্ড একটি করে ম্যাচ খেলেছিল। নাইরোবিতে ইংল্যান্ডের কাছে ৮ উইকেটে হেরে গেলে একটি ম্যাচ খেলেই দেশে ফিরে আসতে হয় নাইমুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশকে।
২০০২
এ বছরেই টুর্নামেন্টের নাম বদলে হয় আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। এ আসরে বাংলাদেশ খেলেছিল মোট দুটি ম্যাচ। এর একটি ছিল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এবং অপরটি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। এই আসরে টাইগারদের নেতৃত্বে ছিলেন খালেদ মাসুদ পাইলট।
২০০৪
২০০৪ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইংল্যান্ডে। ওই আসরে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খুব বাজেভাবে হেরেছিল বাংলাদেশ।
২০০৬
এ বছরেই ছিল আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে টাইগারদের সর্বশেষ অংশগ্রহণ। তৎকালীন সংশোধিত নিয়ম অনুযায়ী আসরের মূলপর্বে খেলার সুযোগ পায় র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষ ছয় দল। আর ৭ম, ৮ম, ৯ম ও ১০ম দল শ্রীলংকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের মধ্য থেকে বাছাইপর্ব পেরিয়ে দুটি দল যায় মূলপর্বে। বাছাইপর্বে শ্রীলংকা ও ওয়েস্টইন্ডিজের কাছে হেরে যায় বাংলাদেশ। তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১০১ রানের সান্তনার জয় পায় টাইগাররা। তবে এবার র‌্যাংকিংয়ের ৬ষ্ঠ দল হিসেবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলছেন মাশরাফি-সাকিবরা। তাই টাইগার ভক্তদের প্রত্যাশাও একটু বেশি।

0 comments:

Post a Comment