Last update
Loading...

আমার রুশ সংযোগের খবর জঘন্য মিথ্যাচার : সেশনস

রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ‘গোপন’ বৈঠকের কথা অস্বীকার করেছেন মার্কিন এটর্নি জেনারেল জেফ সেশনস। মঙ্গলবার কংগ্রেসের সিনেট গোয়েন্দা কমিটির এক শুনানিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত কথাবার্তাবিষয়ক প্রশ্নের উত্তর দিতেও রাজি হননি তিনি। খবর বিবিসির। গত বছরের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণা চলাকালে রিপাবলিকান শিবিরের সঙ্গে রাশিয়ার কর্তৃপক্ষের যোগাযোগ বিষয়ে সিনেট গোয়েন্দা কমিটির সামনে সাক্ষ্য দেয়ার ঘোষণা দেন সেশনস। মার্কিন গণমাধ্যমগুলোর দাবি, গত বছরের ২৭ এপ্রিল ওয়াশিংটনের মেফ্লাওয়ার হোটেলে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতে সের্গেই কিসলিয়াকের সঙ্গে গোপনে দেখা করেছিলেন সেশনস। রাষ্ট্রদূত রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা স্বীকার করেছেন সেশনস। তবে সেই সাক্ষাৎকার ‘গোপনে’ হয়নি বলে দাবি করেছেন তিনি। ওই সময়ের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ট্রাম্পের পররাষ্ট্র নীতি নিয়ে মেফ্লাওয়ার হোটেলের হওয়া ২৭ এপ্রিলের অনুষ্ঠানে না অন্য কোথাও রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে তার দেখা হয়েছে তা মনে করতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি দাবি করেছেন, ওই হোটেলে কিসলিয়াকের সঙ্গে তার ‘হয়তো দেখা হয়েছিল’ কিন্তু ব্যক্তিগত পর্যায়ে কোনো বৈঠক হয়নি এবং হোটেলটিতে রাশিয়ার কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে কোনো আলাপচারিতার কথা তিনি মনেও করতে পারছেন না। শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনালের আরও বলেন, ক্রেমলিনের সঙ্গে তার আঁতাতের বিষয়ে যে কোনো ইঙ্গিত ‘সাংঘাতিক ও জঘন্য মিথ্যাচার’।
এমন ‘কুৎসিত ও মিথ্যা অভিযোগ’ এর বিরুদ্ধে সম্মান বাঁচাতে লড়ে যাবেন বলেও অঙ্গিকার করেছেন তিনি। গত বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ ছিলেন সেশনস। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনী প্রচার কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে এমন কোনো রুশ বা বিদেশি কর্মকর্তার সঙ্গে তার দেখা বা কথা হয়নি। তবে এসব কথা পাশাপাশি ট্রাম্পের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত কথাবার্তার বিষয়ে করা প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে বারবার অস্বীকার করেন সেশনস। এর আগে একই কমিটির সামনে সাবেক এফবিআই প্রধান জেমস কমি বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে রাশিয়ার প্রভাব বিষয়ে তদন্ত করার কারণেই তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। সেশনসের পরামর্শেই কমিকে তার পদ থেকে বরখাস্ত করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোরও বিশ্বাস, ট্রাম্পের বিজয়ী হওয়ার পেছনে রাশিয়ার হাত আছে। যদিও রাশিয়া এবং রিপাবলিকান শিবির শুরু থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

0 comments:

Post a Comment