Last update
Loading...

১২২৫ ইয়াবা ব্যবসায়ী কবে ধরা পড়বে?

দেশজুড়ে বাড়ছে মরণ নেশা ইয়াবার ভয়াবহ আগ্রাসন। এ মাদকসেবীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ব্যবসায়ীর সংখ্যাও। অধিক মুনাফার লোভে এ ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে অনেকে। এদের অনেকেই এক সময় ছিল নিঃস্ব। মাদক ব্যবসার কারণে এখন কোটিপতি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অনেকেই এর সঙ্গে জড়িত। ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদ সদস্যের নামও আছে এ ব্যবসায়ীর তালিকায়। এদের আত্মীয়স্বজনসহ অনেকেই ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। জনপ্রতিনিধির তমকা লাগানোয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও এদের ভয়ে তটস্থ থাকে। ফলে ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে নির্বিঘ্নে ইয়াবাসহ নানা ধরনের মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন সংস্থার সহায়তা নিয়ে ২০১২ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইয়াবা ব্যবসায়ীদের তালিকা করে। তখন এতে ৫৫৪ ইয়াবা ব্যবসায়ীর নাম ছিল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২০১৩ সালে এ তালিকা এক দফায় হালনাগাদ করে। সে সময় ব্যবসায়ীর সংখ্যা ছিল ৭৬৪ জন। সম্প্রতি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর,
বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশের তৈরি তালিকা সমন্বয় করা হয়েছে। সমন্বিত ওই তালিকা অনুযায়ী সারা দেশে ইয়াবা ব্যবসায়ীর সংখ্যা ১২২৫। এদের নাম-ঠিকানা সবই আছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে। কক্সবাজার, টেকনাফ ও উখিয়ার ইয়াবা ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি ও তার পরিবারের ঘনিষ্ঠ ১০ সদস্য এদের মধ্যে অন্যতম। তালিকায় স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যানসহ ১৫ জনের নাম রয়েছে। এছাড়া এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১১ সদস্যসহ ওই এলাকার মোট ৪৯ জনের নাম আছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বারসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের নামও স্থান পেয়েছে তালিকায়। তবে নাম থাকলেও ক্ষমতাধর এসব ব্যক্তি সব সময়ই ধরাছোঁয়ার বাইরে। এদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনাও এতদিন কাজে আসেনি। তবে রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কক্সবাজার এক জনসভায় ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। একই সঙ্গে তিনি এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন। এর পরপরই নড়েচড়ে বসেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ স্থানীয় প্রশাসন। ইতিমধ্যেই তালিকাভুক্ত ইয়াবা সিন্ডিকেটের সদস্যদের গ্রেফতারে সাঁড়াশি অভিযানের প্রস্তুতি চলছে। এ খবরে কক্সবাজার, উখিয়া, টেকনাফসহ আশপাশের এলাকার ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বেশির ভাগই গা ঢাকা দিয়েছে। বিজিবি টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল এসএম আরিফুল ইসলাম সোমবার যুগান্তরকে বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ইয়াবা নির্মূলের নির্দেশ দেয়ার পর থেকেই মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের ৫৪ কিলোমিটার সীমান্তজুড়েই নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি নতুন ক্যাম্পও বসানোরও উদ্যোগ নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তিনি বলেন,
যত প্রভাবশালীই হোক ইয়াবা ব্যবসায়ী কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।’ একই ধরনের কথা বলেছেন কক্সবাজার বিজিবির সেক্টর কমান্ডার কর্নেল রাকিবুল হক। যুগান্তরকে তিনি বলেন, কক্সবাজার এলাকায় মোট ২৩টি ক্যাম্প রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর ইয়াবার প্রবেশ ঠেকাতে নতুন আরও ১৫টি ক্যাম্প স্থাপন করার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ইয়াবা প্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সব সময় সোচ্চার ছিল। এ কারণে অন্যান্য সংস্থার চেয়ে বিজিবির হাতে তুলনামূলক বেশি ইয়াবা ধরা পড়েছে। এখন বিজিবি আরও বেশি তৎপরতা শুরু করেছে বলে তিনি জানান। কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরোজ উল হক টুটুল যুগান্তরকে বলেন, মাদকবিরোধী ‘বিশেষ অভিযান’ চলমান। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের যে তালিকা দেয়া হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সে অনুযায়ী অভিযান চালাচ্ছে। তিনি বলেন, এ অভিযান আরও জোরদারের প্রস্তুতি চলছে। জানা গেছে, সর্বশেষ তালিকায় কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির ভাই মো. আবদুস শুক্কুর, আবদুল আমিন, মৌলভি মুজিবুর রহমান (কাউন্সিলর) মো. শফিক, মো. ফয়সাল, শাহেদুর রহমান নিপু (এমপি বদির ভাগিনা), কামরুল হাসান রাসেলের (বদির ফুফাতো ভাই) নাম আছে। এছাড়া বদির বেয়াই আখতার কামাল, শাহেদ কামাল, মামা হায়দার আলী, নাম রয়েছে। এছাড়া তালিকায় আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলীর ছেলে মোহাম্মদ রাশেদ, টেকনাফ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নুর হোসেন, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা জাফর আহমেদ, খুরশিদা করিম, জাবেদ ইকবাল, কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আলী আহমদ ও আবু বক্করের নাম আছে। এ বিষয়ে জানতে সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে যুগান্তরকে বলেন, ‘আমি দুইবার নির্বাচিত এমপি, আমি ইয়াবার ব্যবসা করব,
এটা সম্ভব?’ তালিকায় নামের ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না। এমপি বলেন, স্থানীয় কিছু সাংবাদিক তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে ইয়াবা ব্যবসায়ী বানিয়েছে। আপনার ভাই এবং আত্মীয়স্বজন এ ব্যবসায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন- এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব না দিয়ে তিনি ফোনের লাইন কেটে দেন। এরপর একাধিকবার চেষ্টা করেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। বারবারই তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার ও টেকনাফের তালিকাভুক্ত ৪৯ ব্যক্তি সারা দেশের ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে। মাদকের স্বর্গরাজ্য টেকনাফ থেকে এরা দেশের বিভিন্ন স্থানে ইয়াবা ছড়িয়ে দিচ্ছে। এদের তত্ত্বাবধানেই টেকনাফে এখন ঘরে ঘরে ইয়াবা ব্যবসায়ী তৈরি হয়েছে। পুলিশ ও গোয়েন্দাদের তালিকা অনুযায়ী এ এলাকার কমপক্ষে সাড়ে পাঁচ শতাধিক ব্যবসায়ী মিয়ানমারের কারখানায় উৎপাদিত ইয়াবা ট্যাবলেট বাংলাদেশে পাচার করছে। এদের মধ্যে শীর্ষ কয়েকজন সারা বছর বাংলাদেশে ইয়াবা পাচারের পুরো নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে থাকে। এদের মধ্যে একজন টেকনাফ এলাকার শফিউর রহমানের ছেলে আলম। সে ইয়াবা ব্যবসার সুবিধার্থে মিয়ানমারের মংডু জেলার ম্যাংগোলা গ্রামে বসবাস করছে। বছরের বেশিরভাগ সময় সে সেখানেই থাকে। টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী যুগান্তরকে বলেন, এমপির নাম সব তালিকায় আছে। এমপির সঙ্গে সব সময় চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ীদের চলাফেরা। এমপির ভাই, বন্ধু ও সহযোগীরা ইয়াবা ব্যবসা করছে। এটি এমপির ক্ষমতার জোরেই চলছে, এ কথা সবাই জানে। এমপির এ ইয়াবা ব্যবসার কথা জানে সরকার ও দল। এর পরও তারা কিছু করছে না। তিনি বলেন, এখানকার সাধারণ মানুষ এমপি এবং তার সাঙ্গোপাঙ্গদের কাছে অসহায়। মাঝেমধ্যে পুলিশ অভিযান চালায়। কিন্তু মূল হোতারা থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে। আওয়ামী লীগের সভাপতির ছেলে রাশেদ। ইয়াবা ব্যবসায়ীর তালিকায় তার নাম আছে। এ নেতাকে প্রশ্ন করা হয়, আপনার ছেলেকে ধরিয়ে দিয়ে ঘর থেকেই ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করবেন কিনা। এর জবাবে তিনি বলেন, তার ছেলে ইয়াবা ব্যবসায়ী নয়। সে সার ও সিমেন্টের ব্যবসা করে। ভুল করে তার নাম তালিকায় এসেছিল। বিগত মহাজোট সরকারের আমল থেকে এ অঞ্চলে মাদক ব্যবসার রমরমা অবস্থা চলছে। দিন যত যাচ্ছে মাদকসেবী এবং মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যাই শুধু বাড়ছে। এ নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা তেমন কোনো কথা বলতে চাননি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন পদস্থ কর্মকর্তা বলেন, বিশেষ কারণে তারা এ নিয়ে উচ্চবাচ্য করতে পারছেন না। ব্যবস্থা নিতে গেলে উল্টো নিজেকে হয়রানির মুখে পড়তে হয়। তারা ঝামেলায় যেতে চান না।
আনোয়ারা উপকূলে পুরনো তালিকা নিয়ে চলছে অভিযান
চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপকূল ইয়াবার স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ীরা কোটি কোটি টাকার ইয়াবা এনে আনোয়ারার বিভিন্ন স্পটে হাতবদল করছে। মিয়ানমারের টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে ট্রুলারে নদীপথে ইয়াবার বড় বড় চালান আসে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীর নামে। আনোয়ারার পারকিসহ বিভিন্ন উপকূলে খালাস হয় ইয়াবা চালান। এরপর চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। জেলা পুলিশ এক বছর আগে করা ২১ ইয়াবা ব্যবসায়ীর তালিকা নিয়ে অভিযান পরিচালনা করছে। এতে বিভিন্ন সময় সফলও হচ্ছে তারা। তবে ইয়াবা ব্যবসায় নতুন নতুন লোক যুক্ত হচ্ছে। তাদের মধ্যে ইউপি চেয়ারম্যান পদমর্যাদার জনপ্রতিনিধিও যুক্ত হচ্ছে। তারা এই ব্যবসায় লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগের পাশাপাশি থানা পুলিশসহ বিভিন্ন প্রশাসনকে ম্যানেজ করছে। মিয়ানমারের ব্যবসায়ীদের কাছে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠানোর পর তারা মাছ ধরা ও পণ্যবোঝাই ট্রুলারে করে চট্টগ্রামে ইয়াবা পাঠিয়ে দেয়। সর্বশেষ ১৬ এপ্রিল গভীর রাতে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙ্গর থেকে ২০ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। আনোয়ারার মোজাহেরের নেতৃত্বাধীন বড় ইয়াবা সিন্ডিকেট এই চালানটি মিয়ানমার থেকে আনে। র‌্যাব অভিযান চালিয়ে মোজাহেরসহ এই সিন্ডিকেটের ৯ সদস্যকে গ্রেফতার করে। তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় মামলা। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ এক বছর আগে ২১ ইয়াবা ব্যবসায়ীর একটি তালিকা তৈরি করে। ওই তালিকার একুশজনের মধ্যে অধিকাংশই আনোয়ারার উপকূলীয় বিভিন্ন ইউনিয়নের বাসিন্দা। সংশ্লিষ্টরা জানান, আনোয়ারা উপকূলের ইয়াবা সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রণ আবু জাফর ওরফে জাউফ্যার হাতে। সে র‌্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত হওয়ার পর এ উপকূলের ইয়াবা সাম্রাজ্যের দখল নেয় ইউসুফ ওরফে কালামনু। এ ছাড়া তালিকায় মোজাহের, মুজাহিদ, আবু, সবুর, রহিম, কাশেম, ফয়েজ, শফিক, ফরিদ, সেলিম, নূর সৈয়দ, মানু, আবু সৈয়দ,
জাহাঙ্গীর, নাছির, সেলিম, আফছার, জাফর ও কালুর নাম ছিল। বিভিন্ন সময়ে এসব সিন্ডিকেটের বড় বড় চালান আটক হয়েছে। তাদের সবার বিরুদ্ধে রয়েছে বিভিন্ন থানায় এক বা একাধিক মামলাও। সূত্র জানায়, ইয়াবা ব্যবসায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে আনোয়ারা উপজেলার গহিরার গলাকাটা ঘাটের জসিম ওরফে কালু, ফু মামুন, পরুয়াপাড়ার লগা জসিম, ময়নাগাহী বাড়ির ওসমান, রহিম, আনোয়ারার হাসান মাঝি, খালেক ও মালেক। এরই মধ্যে খালেক ও মালেক এই দুই ভাইয়ের ছয় লাখ ৯০ হাজার পিস ইয়াবার একটি চালান উদ্ধার করে পুলিশ। সূত্র জানায়, রায়পুর, গহিরাসহ উপকূলীয় কয়েকটি ইউনিয়নের সাবেক ও বর্তমান একাধিক চেয়ারম্যান ইয়াবা ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছেন। তাদের মাধ্যমেই প্রশাসন ম্যানেজ করে ইয়াবা সিন্ডিকেট নির্বিঘ্নে ব্যবসা করছে। পুলিশের তথ্যমতে, আনোয়ারার কয়েকশ’ ট্রুলার বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যায়। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার স্থলপথে বিভিন্ন থানা পুলিশের কড়া পাহারার কারণে ইয়াবার বড় চালান এখন সমুদ্রপথেই আসছে। ইয়াবা পাচারের নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হয়েছে আনোয়ারা। সবচেয়ে বেশি ইয়াবার হাতবদল হয় আনোয়ারার রায়পুর ইউনিয়নের বাচা মিয়া মাঝির ঘাট, গলাকাটা ঘাট, পরুয়াপাড়া, ছিপাতলী ঘাট, সরেঙ্গা, ঘাটকুল, গহিরা, পারকি সমুদ্রসৈকত, জুঁইদণ্ডি, বরুমচড়া, তৈলারদ্বীপসহ সিইউএফএল জেটির আশপাশের এলাকায়। আনোয়ারা থানার ওসি দুলাল মাহমুদ যুগান্তরকে বলেন, আনোয়ারা থানায় ১৪-১৫ কিলোমিটার উপকূলীয় এলাকা রয়েছে। এতবড় এলাকা পাহারা দেয়া অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। তবে তারা ইয়াবা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। তালিকাভুক্ত অনেকেই এখন অভিযানের কারণে এলাকা ছাড়া।

0 comments:

Post a Comment